সিকেডি হাসপাতালের চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি মঈন উদ্দিন নড়াইল থেকে গ্রেফতার, এ পর্যন্ত আটক ৭
প্রতিনিধি
শহিদুজজামান উজ্জ্বল:

শ্যামলীর সিকেডি হাসপাতালের আলোচিত চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি (ইনসেটে) মঈন উদ্দিনকে নড়াইল থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আটক সাতজন।
রাজধানীর শ্যামলীর সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে সংঘটিত আলোচিত চাঁদাবাজি মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি মো. মঈন উদ্দিনকে (৪২) নড়াইল থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট সাতজনকে আটক করা হয়েছে।
র্যাব জানায়, সোমবার (১৩ এপ্রিল ২০২৬) ভোর ৬টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৬, সিপিসি-৩, যশোর ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল নড়াইল জেলার কালিয়া থানার দাদনতলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মঈন উদ্দিনকে গ্রেফতার করে। তিনি মামলার ১ নম্বর পলাতক আসামি।
র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী গণমাধ্যমকে জানান, সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈন উদ্দিনসহ মোট সাতজনকে আটক করা হয়েছে। এর আগে রোববার (১২ এপ্রিল) তার সহযোগী মো. ফালান মিয়া (৪২), মো. রুবেল (৪২), মো. সুমন (৩৬) ও মো. লিটন মিয়া (৩৮) আটক হয়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মঈন উদ্দিনসহ অন্যান্য আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে বাদীর কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। গত ১০ এপ্রিল সকালে তারা বাদীর শ্যামলীর বাসায় গিয়ে চাঁদা দাবি করলে বাদী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ সময় আসামিরা বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়।
এ ঘটনায় সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের ইনচার্জ মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় মঈন উদ্দিনসহ অজ্ঞাতনামা ৭–৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
র্যাব সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে ডা. কামরুল ইসলামের সিকেডি হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর একই দিন রাতে চিকিৎসক কামরুল ইসলামের সঙ্গে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সাক্ষাৎ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে শেরেবাংলা নগর থানায় হস্তান্তরের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।
