হাওরের জলমহাল ইজারামুক্ত করার ঘোষণা
প্রতিনিধি
নিজস্ব প্রতিবেদক:

হাওরাঞ্চলের প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করতে জলমহালের ইজারা ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
হাওরাঞ্চলের প্রকৃত মৎস্যজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করতে জলমহালের ইজারা ব্যবস্থা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি বলেন, ‘জাল যার, জল তার’ নীতির বাস্তবায়নের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী ও অমৎস্যজীবী প্রভাবশালীদের দখলদারিত্বের অবসান ঘটানো হবে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) নেত্রকোনার মদন, মোহনগঞ্জ ও খালিয়াজুরী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পোনা মাছ অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইজারা প্রথার কারণে হাওরের জলমহাল প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। এতে প্রকৃত জেলেরা মাছ ধরার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। সরকার এ পরিস্থিতির পরিবর্তনে জলমহাল ইজারামুক্ত করে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, হাওরাঞ্চলে অকাল বন্যা ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি কমিয়ে বোরো ফসল রক্ষায় নদী ও খাল খনন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, হাওর অঞ্চলের মানুষের প্রধান জীবিকা বোরো ধান ও মাছ। দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে পাঁচটি স্থানে প্রায় ১৬ মেট্রিক টন পোনা মাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি অবমুক্ত করা পোনা সংরক্ষণ এবং বড় হওয়ার সুযোগ দিতে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ সময় রেলপথ ও সড়ক পরিবহন প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনকসহ মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এটি জাতীয় দৈনিকের উপযোগী ভাষায় সাজানো হয়েছে এবং মূল তথ্য অক্ষুণ্ন রেখে সম্পূর্ণ কপিরাইটমুক্তভাবে পুনর্লিখন করা হয়েছে।
