ঢাকা, বাংলাদেশ || শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
সারাদেশ

চোর সন্দেহে মানসিক প্রতিবন্ধীকে পিটিয়ে হত্যা: যশোর ও ফরিদপুর থেকে প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার

প্রতিনিধি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

৪ জুলাই, ২০২৬
চোর সন্দেহে মানসিক প্রতিবন্ধীকে পিটিয়ে হত্যা: যশোর ও ফরিদপুর থেকে প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার

নড়াইলে চোর সন্দেহে মানসিক প্রতিবন্ধী আনোয়ার হোসেনকে (৩২) গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত প্রধান দুই পলাতক আসামিকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬।

নড়াইলে চোর সন্দেহে মানসিক প্রতিবন্ধী আনোয়ার হোসেনকে (৩২) গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্ত প্রধান দুই পলাতক আসামিকে পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৬।

শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে যশোর ও ফরিদপুরে পৃথক অভিযান চালিয়ে র‌্যাব-৬, সিপিসি-৩ যশোর ক্যাম্প এবং র‌্যাব-৬ সদর কোম্পানির (ভাটিয়াপাড়া ক্যাম্প) সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করেন।

গ্রেপ্তাররা হলেন- নড়াইল জেলার উত্তর খলিশাখালী গ্রামের অনাধির ছেলে অপূর্ব এবং একই গ্রামের নিভাসের ছেলে প্রসেনজিৎ (২৫)।

তারা দুজনই নড়াইল সদর থানায় দায়ের করা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত পলাতক আসামি। এর মধ্যে প্রসেনজিৎ মামলার ১ নম্বর এবং অপূর্ব ৩ নম্বর আসামি।

র‌্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার মিশ্রী দেয়াড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে অপূর্বকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রাত ১০টার দিকে ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার জয়পাশা এলাকায় আরেকটি অভিযান পরিচালনা করে প্রসেনজিৎকে আটক করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত আনোয়ার হোসেন একজন মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন। মানসিক ভারসাম্যহীনতার কারণে তিনি প্রায়ই বাড়ি থেকে বের হয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াতেন। গত ২৫ জুন দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে অভিযুক্তরা তাকে চোর সন্দেহে প্রসেনজিতের বাড়ির সামনে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক মারধর করে।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় আনোয়ারকে উদ্ধার করে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২ জুলাই সকালে তিনি মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই গোলাম নবীর হোসেন নড়াইল সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব-৬ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার দুই আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নড়াইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শেয়ার করুন